নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর তৎপরতা। দলীয় মনোনয়নকে ঘিরে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বিরোধী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-নেতৃত্বাধীন জোটে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা।
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট পেতে যাচ্ছে ৩৬টি আসন। অন্যদিকে জামায়াত জোটের ঝুলিতে যাচ্ছে ১৩টি এবং একটি আসন থাকবে স্বতন্ত্রদের জন্য।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ১২ মে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। তবে দলীয় বরাদ্দের সমান সংখ্যক প্রার্থী হলে ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
🔸 বিএনপিতে যাদের নিয়ে আলোচনা
বিএনপির অভ্যন্তরে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা সমীকরণ। দলীয় সূত্র বলছে, নারী সংগঠনের শীর্ষ নেত্রী থেকে শুরু করে সাবেক এমপি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য—অনেকেই রয়েছেন আলোচনায়।
মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে দলের সংসদীয় বোর্ড। একই সঙ্গে মিত্র দলগুলোর জন্যও কিছু আসন ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
🔸 জামায়াত জোটেও হিসাব-নিকাশ
অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে বরাদ্দ পাওয়া ১৩টি আসনের বেশিরভাগই যাচ্ছে জামায়াতের দখলে। দলটির মহিলা শাখার সিনিয়র নেত্রীদের পাশাপাশি আন্দোলনে অবদান রাখা পরিবারের সদস্যদেরও বিবেচনায় আনা হচ্ছে।
জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যেও সীমিত সংখ্যক আসন বণ্টন করা হবে।
🔸 রাজনৈতিক গুরুত্ব বাড়ছে
সংরক্ষিত নারী আসন সরাসরি ভোটে না হলেও সংসদের ক্ষমতার ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে এই আসন ঘিরে দলগুলোর ভেতরে যেমন প্রতিযোগিতা বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে লবিং ও রাজনৈতিক তৎপরতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts