আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলের ব্যবধানে পরাস্ত করে দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে স্পেন। স্প্যানিশদের এই গৌরবময় জয়ে বিশ্ব ফুটবলে ইউরোপীয় দলগুলোর আধিপত্য আরও এক ধাপ মজবুত হলো। দ্বিতীয়বারের মতো স্পেনের বিশ্বজয়ের মধ্য দিয়ে ফুটবল ইতিহাসের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মহাদেশ—ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যকার শিরোপার ব্যবধান এখন দাঁড়িয়েছে ১৩-১০ এ।

ইউরোপ মহাদেশের ঝুলিতে থাকা মোট ১৩টি ট্রফির মধ্যে জার্মানি ও ইতালি সর্বোচ্চ ৪টি করে শিরোপা অর্জন করেছে। এছাড়া ফ্রান্স ও সদ্য বিজয়ী স্পেন ঘরে তুলেছে ২টি করে বিশ্বকাপ। আর বাকি একটি শিরোপা রয়েছে ইংল্যান্ডের শোকেসে।

অপরদিকে, লাতিন আমেরিকার ১০টি বৈশ্বিক শিরোপার মধ্যে সর্বোচ্চ ৫টি জিতেছে ফুটবলের পাওয়ারহাউজ ব্রাজিল। এর পরেই ৩টি ট্রফি নিয়ে অবস্থান করছে আর্জেন্টিনা এবং বাকি ২টি জিতেছে উরুগুয়ে।

বিগত শতাব্দীর একটি দীর্ঘ সময় জুড়ে বিশ্ব ফুটবলের ট্রফি জয়ের লড়াইয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছিল লাতিন পরাশক্তিরা। তবে একবিংশ শতাব্দীতে এসে পাল্টে গেছে পুরো দৃশ্যপট। নতুন শতাব্দীতে ইউরোপের দেশগুলো ধারাবাহিকভাবে সাফল্য তুলে নিয়ে শিরোপার ট্র্যাকে নিজেদের এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যা দুই মহাদেশের ব্যবধানকে স্পষ্ট করে তুলেছে।

ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে দেখা যায়, এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্বকাপের ২৩টি আসরের প্রতিটিতেই রাজত্ব করেছে কেবল ইউরোপ এবং দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলো। বৈশ্বিক ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের এই সোনালী ট্রফিটি এখনও ছুঁয়ে দেখা হয়নি আফ্রিকা, এশিয়া, উত্তর আমেরিকা কিংবা ওশেনিয়ার কোনো দেশের।

— নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউজ প্রবাসী

About Author
newsprobasi@gmail.com
View All Articles
Check latest article from this author !
মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবলের লড়াই, হুদা জগমোহনপুরে তরিকুল ইসলাম স্মৃতি টুর্নামেন্ট
আশুলিয়ায় বন্ধ ঘরে দম্পতি ও নবজাতকের মরদেহ, হত্যার সন্দেহ পুলিশের
জনগণের অধিকার নিয়ে ‘ছিনিমিনি’ হলে কাউকে ছাড় নয়: শফিকুর ঢাকা প্রতিনিধি: জনগণের অধিকার হরণ করা হলে দায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকটসহ জনদুর্ভোগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শনিবার সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরুর আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা মাঠে নেমেছেন। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও তার জবাব দেবে। জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকট থাকলেও গ্রাহকদের নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করেছে জামায়াত জোট। সকাল ৭টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতিঝিলে সমাবেশ শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা করার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা। সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বাধা-বিপত্তি এলেও লং মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। তবে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। এর আগে গত ৬ আগস্ট চারটি বিভাগীয় শহর অভিমুখে ধারাবাহিক লং মার্চ ও ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জোটটি। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটার কথা।

জনগণের অধিকার নিয়ে ‘ছিনিমিনি’ হলে কাউকে ছাড় নয়: শফিকুর ঢাকা প্রতিনিধি: জনগণের অধিকার হরণ করা হলে দায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকটসহ জনদুর্ভোগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শনিবার সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরুর আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা মাঠে নেমেছেন। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও তার জবাব দেবে। জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকট থাকলেও গ্রাহকদের নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করেছে জামায়াত জোট। সকাল ৭টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতিঝিলে সমাবেশ শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা করার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা। সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বাধা-বিপত্তি এলেও লং মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। তবে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। এর আগে গত ৬ আগস্ট চারটি বিভাগীয় শহর অভিমুখে ধারাবাহিক লং মার্চ ও ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জোটটি। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটার কথা।

September 4, 2026

Related Posts