নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েও হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। বুধবার বিকেলে চা-কন্যা এলাকায় তাদের গাড়িবহর আটকে দিতে একটি ট্রাক সড়কের ওপর আড়াআড়ি করে রাখা হয়। পরে বাধা সরিয়ে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যান নেতারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চা-কন্যা এলাকার একটি ব্রিজের ওপর এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। এ সময় শতাধিক পুলিশ সদস্য সেখানে অবস্থান করছিলেন। প্রায় আধা ঘণ্টা পর বিকেল ৫টা ৫ মিনিটের দিকে ট্রাক সরিয়ে এবং পুলিশের বাধা পেরিয়ে হবিগঞ্জের পথে রওনা হয় গাড়িবহর।
এর আগে বিকেল ৪টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করেন এনসিপির নেতারা। বহরে প্রায় ১০টি মাইক্রোবাস ছিল।
এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও যুগ্ম সদস্যসচিব মাহমুদা মিতুসহ দলটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের কথা হয়। পুলিশ তাদের ১৪৪ ধারার মধ্যে হবিগঞ্জে না যাওয়ার অনুরোধ জানায়। তবে এনসিপির নেতারা বাধা তুলে নেওয়ার দাবি জানান। পরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই তারা হবিগঞ্জের দিকে চলে যান।
এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরে কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও পাওয়া যায়। হামলার ঘটনায় বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে এনসিপি।
এ নিয়ে বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে উত্তেজনার মধ্যে বুধবার সকাল থেকে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সীমান্ত এলাকাতেও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।