নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা স্পষ্ট করতে কার্যপ্রণালি বিধি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।সোমবার ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিধিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হলে আগে দেওয়া রায়গুলোর ক্ষেত্রেও সেই প্রক্রিয়া প্রয়োগ করা সম্ভব হবে।
প্রধান কৌঁসুলির ভাষ্য অনুযায়ী, আইন ও ট্রাইব্যুনালের বিধিতে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে বাজেয়াপ্ত সম্পদ কীভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, বিক্রি বা অর্থ আদায় করা হবে—সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রক্রিয়া স্পষ্ট নয়।
এই আইনি জটিলতার কারণে শেখ হাসিনাসহ ইতোমধ্যে যেসব মামলায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের পথও পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রচলিত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী অনুসরণের নির্দেশ রায়ে থাকলে সরকারের জন্য আদেশ বাস্তবায়ন সহজ হতে পারে। পাশাপাশি ট্রাইব্যুনালের নিজস্ব কার্যপ্রণালিতেও বিস্তারিত বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে প্রধান কৌঁসুলি বলেন, আইনগত জটিলতা চিহ্নিত করে কার্যপ্রণালি সংশোধনের জন্য একটি সেমিনার আয়োজনের কথাও ভাবা হচ্ছে।
তিনি জানান, দুই ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়ে আলোচনা করা গেলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি আরও স্পষ্ট করা সম্ভব হবে। বিধি সংশোধন হলে ইতোমধ্যে দেওয়া রায়গুলোর ক্ষেত্রেও তা কার্যকর করার সুযোগ থাকবে বলে তার মত।