
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এক মাসের ব্যবধানে আবারও বেড়ে ৯ শতাংশের ঘরে পৌঁছেছে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি।
এপ্রিলে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। অর্থাৎ, এক বছর আগের তুলনায় একই পণ্য কিনতে এখন খরচ করতে হচ্ছে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি টাকা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভর পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিই এই ঊর্ধ্বগতির মূল কারণ। জাহিদ হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের চাপ এবং জ্বালানির ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব সব খাতেই পড়ছে।
খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—উভয় খাতেই বেড়েছে মূল্যস্ফীতি। এপ্রিল মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে, আর খাদ্যবহির্ভূত খাতে তা বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
গ্রাম ও শহর—দুই ক্ষেত্রেই একই চিত্র দেখা গেছে। গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং শহরে ৯ দশমিক ০২ শতাংশে পৌঁছেছে।
এদিকে, শ্রমজীবী মানুষের মজুরি কিছুটা বাড়লেও তা মূল্যস্ফীতির তুলনায় এখনও কম। ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ বাড়ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যুদ্ধ ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার অস্থির থাকায় সামনে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।