স্পোর্টস ডেস্ক:
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ের পর আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছে পুরো স্পেন। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব অর্জনের পর রাজধানী মাদ্রিদ থেকে শুরু করে বার্সেলোনা এবং তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের জন্মস্থান রোকাফোন্দায় শুরু হয় বিজয় উৎসব।
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে শিরোপা নিশ্চিত করে স্পেন। ২০১০ সালের পর ১৬ বছর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বসেরা হয় লা রোজারা।
বিশ্বকাপজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা লামিন ইয়ামালকে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাস দেখা যায় বার্সেলোনার উপকণ্ঠের রোকাফোন্দায়। ‘৩০৪’ পোস্টাল কোডে পরিচিত এই শ্রমজীবী এলাকার বাসিন্দারা নিজেদের গর্বের প্রতীক হিসেবে উদযাপন করেন ইয়ামালের সাফল্য।
মরক্কান বাবা ও ইকুয়েটোরিয়াল গিনির মায়ের সন্তান ইয়ামাল বরাবরই নিজের শিকড়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে আসছেন। গোল উদযাপনে ‘৩০৪’ ইশারা, রোকাফোন্দার নাম লেখা হেডব্যান্ড এবং বুটে বাবা-মায়ের জন্মভূমির পতাকা বহন করে তিনি সেই ভালোবাসারই প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
রাজধানী মাদ্রিদ, বার্সেলোনা এবং দেশের বিভিন্ন শহরে হাজারো সমর্থক জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে বিজয় উদযাপন করেন। আতশবাজি, গান ও নাচে মুখর হয়ে ওঠে শহরগুলো।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় দলকে অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন, “আমরাই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। আমাদের দল ছিল অসাধারণ। ধন্যবাদ, স্পেন।”
তবে আনন্দ-উৎসবের মাঝেও বিলবাও শহরে বড় পর্দায় ম্যাচ সম্প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পাঁচজনকে শনাক্ত করেছে স্থানীয় পুলিশ।

About Author
newsprobasi@gmail.com
View All Articles
Check latest article from this author !
মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবলের লড়াই, হুদা জগমোহনপুরে তরিকুল ইসলাম স্মৃতি টুর্নামেন্ট
আশুলিয়ায় বন্ধ ঘরে দম্পতি ও নবজাতকের মরদেহ, হত্যার সন্দেহ পুলিশের
জনগণের অধিকার নিয়ে ‘ছিনিমিনি’ হলে কাউকে ছাড় নয়: শফিকুর ঢাকা প্রতিনিধি: জনগণের অধিকার হরণ করা হলে দায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকটসহ জনদুর্ভোগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শনিবার সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরুর আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা মাঠে নেমেছেন। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও তার জবাব দেবে। জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকট থাকলেও গ্রাহকদের নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করেছে জামায়াত জোট। সকাল ৭টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতিঝিলে সমাবেশ শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা করার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা। সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বাধা-বিপত্তি এলেও লং মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। তবে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। এর আগে গত ৬ আগস্ট চারটি বিভাগীয় শহর অভিমুখে ধারাবাহিক লং মার্চ ও ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জোটটি। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটার কথা।

জনগণের অধিকার নিয়ে ‘ছিনিমিনি’ হলে কাউকে ছাড় নয়: শফিকুর ঢাকা প্রতিনিধি: জনগণের অধিকার হরণ করা হলে দায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকটসহ জনদুর্ভোগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শনিবার সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরুর আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা মাঠে নেমেছেন। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও তার জবাব দেবে। জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকট থাকলেও গ্রাহকদের নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করেছে জামায়াত জোট। সকাল ৭টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতিঝিলে সমাবেশ শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা করার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা। সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বাধা-বিপত্তি এলেও লং মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। তবে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। এর আগে গত ৬ আগস্ট চারটি বিভাগীয় শহর অভিমুখে ধারাবাহিক লং মার্চ ও ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জোটটি। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটার কথা।

September 4, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts