নিউজ প্রবাসী ডেক্স:
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও প্রায় ৭ লাখ আসন খালি থেকে যেতে পারে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মোট আসনসংখ্যার তুলনায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক কম হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে মোট আসন রয়েছে প্রায় ১৩ লাখ ৪০ হাজার। বিপরীতে চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সে হিসাবে উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫টি আসন ফাঁকা থাকবে।
তবে আসনসংখ্যার তুলনায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকলেও উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এবারের পরীক্ষায় সামগ্রিক ফলাফল ও জিপিএ-৫ অর্জনের হার কমে যাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্ধারিত ভর্তি যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে পারবেন না। ফলে আসন খালি থাকলেও যোগ্যতার মানদণ্ডের কারণে অনেকের ভর্তি অনিশ্চিত হতে পারে।
ভর্তির যোগ্যতার শর্ত শিথিল করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয় কতটা শর্ত শিথিল করে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে, তা তাদের নিজস্ব বিবেচনার বিষয়।
তিনি আরও জানান, ভর্তি প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে। তবে যোগ্যতার মানদণ্ডে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।