নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বানের কারণ খুঁজতে গিয়ে তিব্বত অংশের একটি পাহাড় থেকে বিশাল বরফখণ্ড ও পাথর ধসের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে নেপালের আবহাওয়া ও জলবিজ্ঞান বিভাগ।
কর্মকর্তাদের ধারণা, বরফ ও পাথরের বিশাল স্তূপ পড়ে লেহন্দে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে জমে থাকা পানির চাপে সেই বাধ ভেঙে গিয়ে আকস্মিক পানির স্রোত নেমে আসে। এতে ভয়াবহ হড়পা বানের সৃষ্টি হয়।
বুধবার নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশী নদীতে এই হড়পা বান আঘাত হানে। এতে মৃতের সংখ্যা ১৬০ ছাড়িয়েছে। পাঁচ শতাধিক পর্যটকসহ কয়েক ডজন সেনা, পুলিশ ও বিদ্যুৎকর্মী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
তবে বন্যার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। বিশেষজ্ঞরা স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করছেন। মৌসুমি মেঘের কারণে পরিষ্কার ছবি পাওয়া কঠিন হওয়ায় একাধিক উৎসের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
এর আগে হিমবাহের হ্রদ ভেঙে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও কিছু হিমবাহ বিশেষজ্ঞ সেই সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয়ের বরফ দ্রুত গলে যাওয়ায় ভবিষ্যতে এ ধরনের আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করে আসছেন গবেষকরা।