নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চ শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। সকাল সোয়া ৮টার পর নেতাকর্মীদের গাড়িবহর চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
লং মার্চ চলাকালে বিভিন্ন স্থানে পথসভার আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জের কাচপুর ব্রিজসংলগ্ন ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল এবং চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সবশেষ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে।
মতিঝিলের শাপলা চত্বরে কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মামুনুল হক, এবি পার্টির সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ফখরুল ইসলামসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতারা।
এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এবং দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
জোটের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।
এর আগে গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চারটি বিভাগীয় শহরে লং মার্চ ও মহাসমাবেশের ঘোষণা দেয় জোটটি। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ করবে তারা। পরে আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথা রয়েছে।