নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের অবসান ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস জোটকে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
শনিবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। �
bdnews24.com +1
শি বলেন, পশ্চিম এশিয়া ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চীন ব্রিকসের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তার মতে, চলমান যুদ্ধ ওই অঞ্চলের মানুষের জন্য ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ডেকে আনছে এবং তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামগ্রিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ব্রিকস সদস্যদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিরোধিতা এবং সুরক্ষাবাদী নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ারও আহ্বান জানান চীনা প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকে কেন্দ্র করে বহুপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। �
দৈনিক আজাদী +1
শি জিনপিং ব্রিকসকে ‘গ্লোবাল সাউথের’ একটি নেতৃত্বস্থানীয় জোট হিসেবে উল্লেখ করেন। উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর আত্মনির্ভরশীলতা বাড়াতে জোটটির ভূমিকা আরও জোরদার করার কথাও বলেন তিনি।
তিনি জানান, আগামী বছর ব্রিকসের সভাপতিত্ব নেবে চীন। একই সময়ে দেশটি ১৯তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করবে।
নয়াদিল্লি সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও বৈঠক করেন শি। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাণিজ্য ও সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার বিষয়েও দুই নেতা আলোচনা করেছেন। �
bdnews24.com
সাত বছর পর ভারত সফরে এসে শি-মোদীর বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তবে সীমান্ত বিরোধ ও বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতাসহ বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ এখনো রয়েছে।
২০০৯ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনকে নিয়ে ব্রিকসের যাত্রা শুরু হয়; পরে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আরও কয়েকটি দেশ এতে যুক্ত হয়। বর্তমানে জোটটির সদস্যসংখ্যা ১১। বিশ্বের ৪০ শতাংশের বেশি মানুষ ব্রিকস সদস্য দেশগুলোতে বসবাস করে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে জোটটির প্রভাবও উল্লেখযোগ্য। �
bdnews24.com