নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার স্মরণে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে তেহরান। ছয় দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে ইরানের বিভিন্ন শহরে কোটি মানুষের অংশগ্রহণের আশা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
ইরানি নেতারা বলছেন, এই বিশাল জনসমাগম শুধু শোক প্রকাশের জন্য নয়, বরং জাতীয় ঐক্য, রাষ্ট্রীয় সংহতি এবং দেশের অবস্থান বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার একটি সুযোগ। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি রাজনৈতিক বার্তাও বহন করবে এই আয়োজন।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, রাজধানী তেহরানে কফিন নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং আকাশসীমায়ও সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ জনগণকে জানাজায় ব্যাপকভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার ভাষায়, জনগণের উপস্থিতিই হবে দেশের ঐক্য ও দৃঢ়তার প্রতীক।
এদিকে নিরাপত্তাজনিত কারণে খামেনির ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মুজতাবা খামেনি শেষকৃত্যে প্রকাশ্যে অংশ নাও নিতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
শোকানুষ্ঠানে রাশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তেহরানের পর কোম, ইরাকের নাজাফ ও কারবালা এবং পরে মাশহাদে বিভিন্ন পর্যায়ে জানাজা ও শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। পুরো আয়োজনকে কেন্দ্র করে ইরানজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts