নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে ৯ মৃত্যু
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে নিহত গাইবান্ধার রানা মিয়ার বাড়িতে এখন শোকের মাতম। চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে শনিবার বাড়ি ফেরার কথা ছিল ২৩ বছর বয়সী এই তরুণের। কিন্তু স্বজনদের কাছে ফিরেছেন লাশ হয়ে।
শুক্রবার সকালে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে স্ক্র্যাপ জাহাজের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে নয় শ্রমিকের মৃত্যু হয়।
নিহত রানা গাইবান্ধা সদর উপজেলার পশ্চিম কুপতলা গ্রামের বাসিন্দা। অভাবের সংসারে সহযোগিতা করতে তিনি চট্টগ্রামের ওই কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। সম্প্রতি গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে আবেদন করেছিলেন। আগামী ২১ আগস্ট তার লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল।
শনিবার সকালে রানার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা-বাবাসহ স্বজনরা। পরে জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের খোকন মিয়াও নিহত হয়েছেন। তিনিও চট্টগ্রামের ওই জাহাজভাঙা কারখানায় কাজ করতেন। দুজনের মরদেহই শনিবার নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
ঘটনার পর জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে।