নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) বিমানবন্দরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নির্ধারিত পৃথক কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বহনকারী উড়োজাহাজ নির্ধারিত সময়ের পরে বিমানবন্দরে পৌঁছানোয় কর্মসূচিগুলোর অনুমোদিত সময় শেষ হয়ে যায়।
স্থানীয় সময় সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত জেএফকে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর টার্মিনালের বাইরে বিএনপির অভ্যর্থনা সমাবেশ এবং আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি ছিল। তবে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল ৩টার পর থেকেই দুই দলের নেতাকর্মীরা টার্মিনালের বাইরে অবস্থান নেন। পরে অনুমোদিত সময় শেষ হওয়ায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের সেখান থেকে চলে যেতে বলেন।
বিএনপির নেতাদের মধ্যে সেখানে ছিলেন আব্দুল লতিফ সম্রাট, জিল্লুর রহমান, গিয়াস আহমেদ, মিজানুর রহমান মিল্টন ভূঁইয়া, নিউ ইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান সাঈদ, যুবদলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু সাঈদ আহমেদ ও যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে ছিলেন ইমদাদ চৌধুরী, রফিকুর রহমান রফিক, নুরুল আবসার সেন্টু, মিসবাহ আহমেদ, সেবুল মিয়া ও মিজানুর রহমান চৌধুরী।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে জেএফকে বিমানবন্দরে পৌঁছালে ১ নম্বর টার্মিনালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রাসহ প্রধানমন্ত্রীকে নিউইয়র্কের ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলে নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে তিনি এই হোটেলেই অবস্থান করবেন।
হোটেলের প্রবেশপথে বিএনপির নেতাকর্মীরা জাতীয় পতাকা হাতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে স্লোগান দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts