
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
চট্টগ্রামে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতেও ব্যাটিং ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি বাংলাদেশ। ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে টাইগাররা ২০ ওভারে সংগ্রহ করে মাত্র ১০৯ রান। দলের হয়ে একমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তাওহিদ হৃদয়, তিনি অপরাজিত ৬১ রান করেন।
শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে অসহায় ছিল বাংলাদেশের টপ অর্ডার। সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান ও পারভেজ হোসেন দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা নষ্ট হয়।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্পেন্সার জনসন ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার। চার ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে দুটি উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হন তিনি।
১১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে সফরকারীরা। অধিনায়ক মিচেল মার্শ ২৭ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসের ওপর ভর করে মাত্র ১১ ওভারে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া।
এর ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে অস্ট্রেলিয়া। ওয়ানডে সিরিজ হারলেও টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে সফর শেষ করল তারা।
বাংলাদেশের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ জিম্বাবুয়ে সফর। আগামী সপ্তাহে হারারে টেস্ট দিয়ে শুরু হবে তাদের পরবর্তী আন্তর্জাতিক অভিযান।