নিউজ প্রবাসী ডেক্স:
ভোররাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি ও বজ্রপাতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে অফিসগামী মানুষকে পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হয়েছে। কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।
রোববার ভোরের দিকে শুরু হওয়া বৃষ্টি বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরজীবনে ভোগান্তি বাড়ায়। পুরানা পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কে পানি জমে থাকতে দেখা যায়। জলাবদ্ধতার কারণে সড়কে যানজটও তৈরি হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে নারায়ণগঞ্জে ৮২ এবং মাদারীপুরে ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ১১ থেকে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিকে মাঝারি এবং ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিকে ভারী হিসেবে গণ্য করে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃষ্টির কারণে সকালে অফিস ও কর্মস্থলের উদ্দেশে বের হওয়া মানুষকে বিভিন্ন মোড়ে যানবাহনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়। রিকশা ও গণপরিবহন চলাচলেও ধীরগতি তৈরি হয়। নগরীর কয়েকটি এলাকায় পানি জমে ফুটপাত দিয়েও স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে।
জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম মাঠে কাজ শুরু করে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোর ৪টা থেকে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে নিম্নাঞ্চল ও কিছু ঢালু সড়কে সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
জিগাতলায় ম্যানহোলের ঢাকনা খুলে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কারের কাজও করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর আন্দামান সাগর ও আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম, রংপুর ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।