আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
টানা নবম দিনের মতো ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করার লক্ষ্যেই নতুন দফার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এদিকে ইরানও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
সেন্টকমের এক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে ইরানের সামরিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, সামুদ্রিক সক্ষমতা এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ অভিযানের সমাপ্তি ঘটে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তাবরিজ, চাবাহার, কোনারাক, বন্দর মাহশহর, বন্দর ইমাম খোমেনি, বুশেহর, জাস্ক ও সিরিকসহ বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একাধিক স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, দেশটির পশ্চিমাঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
টানা কয়েকদিন ধরে চলমান এই সংঘাতে উভয় পক্ষের হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। একই সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।