নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশনসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
বুধবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টার্মিনালের কারিগরি সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। সীমিত সরবরাহের মধ্যেও জরুরি ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে।
গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় সিএনজি স্টেশনগুলো চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে অনেক স্থানে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমান সংকটের তাৎক্ষণিক কারণ টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি হলেও দীর্ঘদিন ধরে আমদানিনির্ভরতার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়াতে পর্যায়ক্রমে ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া একনেকের সর্বশেষ সভায় নোয়াখালী ও সুনামগঞ্জে ৭২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি গ্যাস কূপ খননের প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। পাশাপাশি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি বৃদ্ধি এবং ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
জ্বালানি বিভাগ আশা প্রকাশ করেছে, টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান হলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখও প্রকাশ করেছে বিভাগটি।