নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
ভারতে প্রশ্নফাঁস, বেকারত্ব ও শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সংকট নিয়ে তরুণদের আন্দোলনে বড় রাজনৈতিক সাফল্য এসেছে। টানা আন্দোলনের মুখে দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে নিজেদের নজিরবিহীন জয় হিসেবে দেখছেন আন্দোলনকারীরা।
দিল্লি থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ধীরে ধীরে ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। তরুণদের সংগঠিত করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়ম, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, উচ্চ বেকারত্ব এবং কর্মসংস্থানের সংকট নিয়ে সরকারের জবাবদিহিতা প্রয়োজন।
আন্দোলনের পেছনে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মও সক্রিয় ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রশ্নফাঁসে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে তারা আন্দোলন করে।
আন্দোলন দমনে পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও গ্রেপ্তারের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়। বিভিন্ন শহরে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে।
আন্দোলনকারীদের অনেকের মতে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ কোনো সমাপ্তি নয়, বরং শুরু। তাদের দাবি—বেকারত্ব, শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা ও সামাজিক বৈষম্যের মতো বড় সমস্যাগুলোর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
তবে আন্দোলনের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের অভিযোগের পাশাপাশি মানবাধিকারকর্মীরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে আইনি হয়রানির ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন।