নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

কুয়েতে আকামাবিহীন কোনো বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হলে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

রোববার দূতাবাসের শ্রম কল্যাণ উইংয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদা সংগ্রহের জন্য প্রবাসীদের উৎসাহিত করছে। এ ধরনের প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দূতাবাস জানায়, কুয়েতের শ্রম আইন অনুযায়ী ১৮ নম্বর ভিসায় কর্মরত কোনো প্রবাসী মারা গেলে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যয় সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হয়। আর ২০ নম্বর ভিসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে ব্যয় বহন করেন সংশ্লিষ্ট কফিল বা নিয়োগকর্তা।

অন্যদিকে কোনো প্রবাসীর কফিল না থাকলে কিংবা আকামাবিহীন অবস্থায় মৃত্যু হলে বাংলাদেশ দূতাবাস নিজস্ব অর্থায়নে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে থাকে।

এ কারণে মৃত প্রবাসীর পরিবার, স্বজন বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে চাঁদা সংগ্রহে অংশ না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে দূতাবাস।

কুয়েতে আকামাবিহীন কোনো বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হলে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য সরাসরি বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত আবেদন করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts