নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বেড়েছে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ডিজেলের ব্যবহার। নিজের তিন কারখানায় জুন-জুলাইয়ে অতিরিক্ত ১ লাখ ৩৬ হাজার ২১৪ লিটার ডিজেল ব্যবহার করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতা সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। তার হিসাবে, আগের তুলনায় ডিজেল ব্যবহার বেড়েছে ৩৯০ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মহাখালীতে সিপিডি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট: তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার ও টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাসিম মঞ্জুর বলেন, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তায় উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি রপ্তানি বাজারেও বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। সংকটের সময় কখন বিদ্যুৎ বা গ্যাস সরবরাহ কমবে, তা আগেই জানানো হলে উৎপাদন পরিকল্পনা করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ব্যবসায়ী নেতারা জানান, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পের উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। পর্যাপ্ত গ্যাস না পেলেও বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। এতে শ্রমিকের বেতন, ব্যাংকঋণসহ নানা ব্যয় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
আলোচনায় বক্তারা শিল্পে জ্বালানি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া, গ্যাসের সিস্টেম লস কমানো, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো এবং বিকল্প জ্বালানির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি বেশি দামে এলএনজি আমদানি বাড়ানোর ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক করেন বিশেষজ্ঞরা।