নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
দেশে একদিকে বাড়ছে গ্যাসের চাহিদা, অন্যদিকে পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে কমছে উৎপাদন। এই পরিস্থিতিতে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
ইতোমধ্যে ২৯টি কূপের কাজ শেষ হয়েছে। এসব কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ২৭১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংস্থান নিশ্চিত হয়েছে, যার মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট।
পুরো কর্মসূচি সফল হলে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৪০১ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস পাওয়ার আশা করছে সরকার। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে সংকট কিছুটা কমলেও পুরোপুরি সমাধান হবে কি না, তা নির্ভর করবে পুরোনো ক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমার গতি এবং ভবিষ্যতে গ্যাসের চাহিদা কতটা বাড়ে তার ওপর।
এদিকে দেশীয় উৎপাদন কমায় বাড়ছে এলএনজি আমদানির চাপ। ২০২৫ সালে ১০৯টি এলএনজি কার্গো আমদানিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাস সংকট মোকাবিলায় শুধু নতুন কূপ খনন নয়—নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান, সমুদ্রভিত্তিক অনুসন্ধান, বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারও সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts