নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি দাবি চলছে। যুক্তরাষ্ট্র সামরিক সুরক্ষার মাধ্যমে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি করলেও বাস্তবে অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ ইরানের নির্ধারিত রুটকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
সামুদ্রিক তথ্য সংস্থা কেপলারের হিসাবে, আগস্টের প্রথম ১৯ দিনে ১১২টি তেল, এলপিজি ও এলএনজিবাহী জাহাজ হরমুজ পেরিয়েছে। এর মধ্যে ২১টি প্রকাশ্যে ইরানি রুট ব্যবহার করেছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ওমানি রুট ব্যবহার করেছে মাত্র দুটি জাহাজ। অধিকাংশ জাহাজই ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রেখে ‘ডার্ক’ রুটে চলেছে।
সাধারণ কার্গো ও কেমিক্যালবাহী জাহাজ ধরলে একই সময়ে ২৩৬টি জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে ৮৩টি প্রকাশ্যে ইরানি রুট ব্যবহার করলেও ওমানি রুট নিয়েছে মাত্র তিনটি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জাহাজগুলো হামলা ও সামরিক ঝুঁকি এড়াতেই অনেক ক্ষেত্রে ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখছে। ফলে কোন রুটে কত জাহাজ চলাচল করছে, তার সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া কঠিন।
তবে প্রকাশ্য তথ্য বলছে, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি সত্ত্বেও হরমুজে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানের প্রভাব এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী। বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের টানাপোড়েনে তেলের বাজারেও নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।