নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তিতে আন্দোলনের প্রত্যাশা ও বাস্তব অর্জন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং সংস্কার কার্যক্রমে অগ্রগতি হলেও কর্মসংস্থান ও বৈষম্য দূরীকরণে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে বিএনপি সরকার গঠন করে এবং দেশে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হয়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিশ্লেষকদের ভাষ্য, গত দুই বছরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরুদ্ধার, বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। তবে যুবকদের কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো এবং সংস্কারের পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা, স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।